deism
deism বা ঈশ্বরবাদ হলো একটি বিশেষ দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা প্রচলিত ধর্মতত্ত্ব থেকে আলাদা। এর মূল কথা হলো, একজন স্রষ্টা এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং এর নিয়মাবলী নির্ধারণ করেছেন, কিন্তু সৃষ্টির পর তিনি আর এতে কোনো হস্তক্ষেপ করেন না। এটি অনেকটা একটি ঘড়ির মেকানিজমের মতো—ঘড়ি নির্মাতা ঘড়িটি তৈরি করে দম দিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন, এখন সেটি তার নিজস্ব নিয়মে চলছে।
ধর্মতত্ত্বের সাথে পার্থক্য
সাধারণত আমরা যে ধর্মবিশ্বাস দেখি (যেমন theism), সেখানে স্রষ্টাকে সর্বব্যাপী এবং মানুষের প্রার্থনায় সাড়া প্রদানকারী হিসেবে কল্পনা করা হয়। কিন্তু deism-এর ক্ষেত্রে স্রষ্টা দূরবর্তী এবং নিরপেক্ষ। এখানে অলৌকিক ঘটনা, দৈববাণী বা পবিত্র গ্রন্থের ওপর নির্ভর না করে যুক্তি এবং প্রকৃতির পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্রষ্টাকে খোঁজার চেষ্টা করা হয়।
theism: স্রষ্টা সক্রিয়ভাবে মহাবিশ্ব পরিচালনা করেন এবং মানুষের সাথে যোগাযোগ করেন।
deism: স্রষ্টা কেবল মহাবিশ্বের নকশাকার, তিনি বর্তমানে নিষ্ক্রিয়।
ব্যবহারিক প্রয়োগ ও সতর্কতা
বাংলায় অনুবাদ করার সময় একে 'ঈশ্বরবাদ' বলা হলেও, এটি সাধারণ 'আস্তিকতা'র চেয়ে ভিন্ন। আস্তিকতা বা theism অনেক বেশি ব্যাপক, যেখানে স্রষ্টার প্রতি ভক্তি এবং তাঁর সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গুরুত্ব পায়। অন্যদিকে, deism একটি বুদ্ধিবৃত্তিক বা যৌক্তিক অবস্থান।
সঠিক ব্যবহার: He adheres to deism, believing in a creator who does not intervene in human affairs. (তিনি ঈশ্বরবাদে বিশ্বাস করেন, যেখানে মনে করা হয় স্রষ্টা মানুষের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন না।)
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি বিশেষ্য (noun) এবং এটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট দার্শনিক মতবাদ বা বিশ্বাসের প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়।
Meanings
এমন এক বিশ্বাস যেখানে মনে করা হয় যে একজন সর্বোচ্চ সত্তা মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু তিনি এর বর্তমান কার্যপ্রণালী বা মানুষের জীবনে কোনো হস্তক্ষেপ করেন না।
The Enlightenment era saw a rise in deism among philosophers who rejected organized religion.
আলোকিত যুগের দার্শনিকদের মধ্যে ঈশ্বরবাদের উত্থান ঘটেছিল যারা সংগঠিত ধর্মকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।