exocrine
exocrine শব্দটি মূলত জীববিজ্ঞান এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ পরিভাষা। এর মূল অর্থ হলো এমন এক ধরনের গ্রন্থি যা তার নিঃসরণ পদার্থগুলোকে সরাসরি রক্তপ্রবাহে না পাঠিয়ে একটি নির্দিষ্ট নালীর (duct) মাধ্যমে শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গ বা ত্বকের উপরিভাগে পৌঁছে দেয়। বাংলা ভাষায় একে 'বহিঃক্ষরা' বলা হয়, যেখানে 'বহিঃ' মানে বাইরে এবং 'ক্ষরা' মানে নিঃসরণ।
ব্যবহারিক পার্থক্য এবং সূক্ষ্মতা
ইংরেজি ভাষায় exocrine শব্দটিকে প্রায়ই endocrine (অন্তঃক্ষরা) শব্দের সাথে তুলনা করা হয়। এই দুটি শব্দের মধ্যে পার্থক্য বোঝা অত্যন্ত জরুরি কারণ এদের কাজ সম্পূর্ণ বিপরীত। exocrine গ্রন্থিগুলো (যেমন: ঘর্মগ্রন্থি বা লালাগ্রন্থি) নালীর মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে পদার্থ পাঠায়, অন্যদিকে endocrine গ্রন্থিগুলো (যেমন: পিটুইটারি গ্রন্থি) সরাসরি রক্তে হরমোন নিঃসরণ করে।
সঠিক ব্যবহার: exocrine glands (বহিঃক্ষরা গ্রন্থি)
ভুল ধারণা: অনেক সময় শিক্ষার্থীরা মনে করতে পারেন যে সব নিঃসরণই exocrine, কিন্তু রক্তে সরাসরি নিঃসরণ হলে তা হবে endocrine।
অনুবাদ এবং প্রয়োগের সতর্কতা
বাংলায় অনুবাদ করার সময় 'বহিঃক্ষরা' শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে সঠিক এবং পেশাদার। সাধারণ কথোপকথনে একে 'নালীযুক্ত গ্রন্থি' বলা যেতে পারে, তবে বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপটে 'বহিঃক্ষরা' শব্দটিরই প্রচলন বেশি।
উদাহরণ: The sweat glands are exocrine glands. (ঘর্মগ্রন্থি হলো বহিঃক্ষরা গ্রন্থির একটি প্রাথমিক উদাহরণ।)
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি বিশেষণ (adjective), তাই এটি সর্বদা কোনো বিশেষ্যের (যেমন: gland বা system) আগে বসে সেই অঙ্গটির প্রকৃতি বর্ণনা করে।
Meanings
এমন গ্রন্থি সংক্রান্ত যা তাদের উৎপাদিত পদার্থ, যেমন এনজাইম বা ঘাম, নালীর মাধ্যমে সরাসরি শরীরের নির্দিষ্ট উপরিভাগ বা অঙ্গে নিঃসরণ করে।
The sweat glands are a primary example of exocrine glands.
ঘর্মগ্রন্থি হলো বহিঃক্ষরা গ্রন্থির একটি প্রাথমিক উদাহরণ।