imperviousness
imperviousness শব্দটি মূলত দুটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়: একটি শারীরিক বা বস্তুগত এবং অন্যটি মানসিক বা রূপক। যখন এটি কোনো উপাদানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তখন এর অর্থ হয় তরল বা গ্যাস ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ার ক্ষমতা, যাকে বাংলায় 'অভেদ্যতা' বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বিশেষ ধরণের কাপড় বা প্লাস্টিকের imperviousness তাকে জলরোধী করে তোলে।
মানসিক প্রেক্ষাপটে, এটি এমন এক অবস্থাকে বোঝায় যেখানে একজন ব্যক্তি বাইরের কোনো নেতিবাচক প্রভাব, সমালোচনা বা আবেগ দ্বারা প্রভাবিত হন না। এই অর্থে এটি 'অপ্রভাবিত থাকা'র গুণটিকে নির্দেশ করে।
শব্দগত পার্থক্য এবং ব্যবহারের সতর্কতা
বাংলায় 'অভেদ্য' শব্দটি আমরা সাধারণত দেয়াল বা দুর্গের ক্ষেত্রে ব্যবহার করি যা ভেদ করা যায় না। তবে ইংরেজিতে imperviousness শব্দটি কেবল শক্ত বস্তুর জন্য নয়, বরং তরল পদার্থের প্রবেশ রোধ করার ক্ষমতা বোঝাতে বেশি ব্যবহৃত হয়। এছাড়া, মানসিক দৃঢ়তা বোঝাতে resilience এবং imperviousness এর মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। resilience মানে হলো ধাক্কা খেয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসা, কিন্তু imperviousness মানে হলো সেই ধাক্কাটি একেবারেই গায়ে না লাগানো বা প্রভাবিত না হওয়া।
সঠিক ব্যবহার (শারীরিক): The imperviousness of the raincoat keeps the wearer dry. (রেইনকোটের অভেদ্যতা পরিধানকারীকে শুকনো রাখে।)
সঠিক ব্যবহার (মানসিক): His imperviousness to criticism allowed him to stay focused. (সমালোচনার প্রতি তার অপ্রভাবিত থাকা তাকে লক্ষ্য অর্জনে মনোযোগী হতে সাহায্য করেছিল।)
ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্যimperviousness একটি অবিভাজ্য বিশেষ্য (uncountable noun)। এটি কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থাকে প্রকাশ করে, তাই এর বহুবচন রূপ সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। এটি মূলত impervious (অভেদ্য/অপ্রভাবিত) বিশেষণটি থেকে উদ্ভূত হয়েছে।