misogyny
misogyny শব্দটি মূলত নারীদের প্রতি তীব্র ঘৃণা, অবজ্ঞা বা কুসংস্কারাচ্ছন্ন মনোভাবকে বোঝায়। এটি কেবল ব্যক্তিগত ঘৃণা নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক বা পদ্ধতিগত বৈষম্যের একটি রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ব্যক্তি বা সমাজ বিশ্বাস করে যে নারীরা পুরুষদের তুলনায় নিকৃষ্ট, তখন সেই মানসিকতাকে misogyny বলা হয়।
শব্দগত পার্থক্য এবং ব্যবহার
এই শব্দটি প্রায়ই sexism (লিঙ্গবৈষম্য) এর সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। তবে এদের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। sexism সাধারণত লিঙ্গভিত্তিক বিশ্বাস বা সামাজিক কাঠামোর বৈষম্যকে বোঝায় (যেমন: বিশ্বাস করা যে নারীরা নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য অনুপযুক্ত), কিন্তু misogyny এর মধ্যে একটি সক্রিয় ঘৃণা বা বিদ্বেষের অনুভূতি থাকে।
sexism: "নারীরা নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত নয়" (এটি একটি বৈষম্যমূলক বিশ্বাস)।
misogyny: "আমি নারীদের ঘৃণা করি এবং তাদের অবজ্ঞা করি" (এটি একটি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব)।
ব্যবহারিক উদাহরণ
সঠিক ব্যবহার: "The protagonist's struggle against systemic misogyny in the workplace" (কর্মক্ষেত্রে পদ্ধতিগত নারীবিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রধান চরিত্রের সংগ্রাম)।
ভুল ধারণা: কাউকে কেবল পছন্দ না করা মানেই misogyny নয়; এটি হতে হবে লিঙ্গভিত্তিক একটি গভীর এবং নেতিবাচক ঘৃণা।
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি বিশেষ্য (noun) এবং এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বা সামাজিক প্রবণতা বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
Meanings
নারীদের প্রতি গভীর জন্মানো কুসংস্কার, ঘৃণা বা অবজ্ঞা।
"The novel explores the deep-seated misogyny prevalent in the Victorian era."
উপন্যাসটি ভিক্টোরীয় যুগে প্রচলিত পদ্ধতিগত নারীবিদ্বেষের বিষয়টি অন্বেষণ করে।