disobedient
disobedient শব্দটি মূলত এমন কাউকে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয় যে ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়মকানুন, আদেশ বা নির্দেশ মানতে অস্বীকার করে। এটি সাধারণত একটি নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখা হয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি শিশু, পোষা প্রাণী বা অধীনস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যখন কেউ কর্তৃপক্ষের কথা শোনে না বা নির্দেশ অমান্য করে, তখন তাকে disobedient বলা হয়।
শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য ও ব্যবহার
এই শব্দটি rebellious এর সাথে কিছুটা কাছাকাছি মনে হতে পারে, তবে এদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। disobedient সাধারণত ছোটখাটো নিয়ম অমান্য করা বা কথা না শোনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় (যেমন: একটি শিশুর কথা না শোনা)। অন্যদিকে, rebellious শব্দটি অনেক বেশি শক্তিশালী; এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা, সরকার বা সামাজিক কাঠামোর বিরুদ্ধে সক্রিয় বিদ্রোহ বা চরম বিরোধিতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
disobedient: কথা না শোনা বা অবাধ্য হওয়া (যেমন: a disobedient child)
rebellious: বিদ্রোহী হওয়া বা প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যাওয়া (যেমন: a rebellious teenager)
ব্যবহারিক উদাহরণ ও সতর্কতা
বাংলায় আমরা 'অবাধ্য' শব্দটি খুব সাধারণভাবে ব্যবহার করি, কিন্তু ইংরেজিতে disobedient ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে এটি সরাসরি 'আদেশ অমান্য করা'র সাথে যুক্ত। যদি কেউ কেবল নিয়ম না জানে, তবে তাকে disobedient বলা যাবে না; কারণ এই শব্দটির পেছনে একটি সচেতন অস্বীকার করার মানসিকতা থাকে।
সঠিক ব্যবহার: The dog was disobedient and refused to sit. (কুকুরটি অবাধ্য ছিল এবং বসতে অস্বীকার করল।)
ভুল ব্যবহার: যদি কেউ ভুলবশত কোনো নিয়ম ভেঙে ফেলে, তবে সেখানে disobedient এর বদলে careless বা unaware ব্যবহার করা বেশি উপযুক্ত।
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি বিশেষণ (adjective), যা সাধারণত বিশেষ্যের আগে বসে বা লিঙ্কিং ভার্বের পরে বসে ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
Meanings
নিয়মকানুন বা কোনো ঊর্ধ্বতন ব্যক্তির আদেশ মানতে অস্বীকার করা।
The disobedient child refused to eat his vegetables.
অবাধ্য শিশুটি তার সবজি খেতে অস্বীকার করল।