wrongness
wrongness শব্দটি মূলত কোনো কিছুর ভুল বা অনৈতিক হওয়ার অবস্থাকে বোঝায়। এটি দুটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হতে পারে: একটি হলো নৈতিক বা চারিত্রিক দিক থেকে যা 'অনৈতিকতা' বোঝায়, এবং অন্যটি হলো তথ্যগত বা যৌক্তিক দিক থেকে যা 'ভুলভ্রান্তি' নির্দেশ করে। বাংলা ভাষায় আমরা অনেক সময় এই দুটি ভিন্ন অর্থকে কেবল 'ভুল' শব্দ দিয়ে প্রকাশ করি, কিন্তু ইংরেজিতে wrongness ব্যবহারের সময় প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এর গভীরতা পরিবর্তিত হয়।
অর্থগত পার্থক্য এবং প্রয়োগ
যখন শব্দটি নৈতিকতার সাথে যুক্ত থাকে, তখন এটি কোনো কাজ বা চিন্তার পাপপূর্ণ বা অগ্রহণযোগ্য দিকটিকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো সামাজিক বা ধর্মীয় নিয়ম ভাঙার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়। অন্যদিকে, যখন এটি কোনো হিসাব, তথ্য বা যুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি কেবল একটি যান্ত্রিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক ত্রুটি বা অশুদ্ধতাকে বোঝায়।
অনৈতিকতার ক্ষেত্রে: The moral wrongness of the act (কাজটির নৈতিক অনৈতিকতা)।
ভুলভ্রান্তির ক্ষেত্রে: The wrongness of the calculation (হিসাবের ভুলভ্রান্তি)।
সদৃশ শব্দের সাথে তুলনাwrongness শব্দটিকে error বা mistake এর সাথে গুলিয়ে ফেলা সহজ। তবে error বা mistake সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভুল কাজ বা ঘটনাকে বোঝায়, আর wrongness সেই ভুলের গুণ বা অবস্থাকে (state or quality) বোঝায়। যেমন, একটি ভুল হিসাব করা হলো একটি mistake, কিন্তু সেই হিসাবটি যে ভুল, সেই অবস্থাকে বলা হয় wrongness।
একইভাবে, নৈতিক ক্ষেত্রে immorality শব্দটি আরও তীব্র এবং সরাসরি পাপের সাথে যুক্ত, যেখানে wrongness শব্দটি তুলনামূলকভাবে আরও বিস্তৃত এবং এটি কেবল নৈতিকতা নয়, বরং সামাজিক রীতিনীতির বহির্ভূত হওয়াকেও বোঝাতে পারে।
ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্য
এটি একটি বিশেষ্য (noun) এবং সাধারণত এটি একটি 'uncountable noun' হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এর সাথে সাধারণত বহুবচন যোগ করা হয় না। এটি কোনো কিছুর গুণাগুণ বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়, তাই বাক্যে এটি প্রায়শই বিশেষণের পর বা বিশেষণের সাথে যুক্ত হয়ে বসে।
Meanings
নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য, অনৈতিক বা পাপপূর্ণ হওয়ার গুণ বা অবস্থা।