omnipotence
omnipotence শব্দটি মূলত ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক আলোচনায় ব্যবহৃত হয়, যা কোনো সত্তার (সাধারণত ঈশ্বরের) অসীম ক্ষমতা বা সর্বশক্তিমানতাকে বোঝায়। এটি কেবল অনেক ক্ষমতা থাকা নয়, বরং এমন এক ক্ষমতা যা সীমাবদ্ধতাহীন এবং যার মাধ্যমে যেকোনো কিছু করা সম্ভব। বাংলা ভাষায় এর সঠিক প্রতিশব্দ হলো "সর্বশক্তিমানতা"।
শব্দার্থের সূক্ষ্ম পার্থক্য
এই শব্দটি যখন ব্যবহৃত হয়, তখন এটি power বা strength-এর মতো সাধারণ শব্দের চেয়ে অনেক বেশি গভীর এবং ব্যাপক অর্থ বহন করে। power বলতে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব বা সামর্থ্য বোঝায়, কিন্তু omnipotence বলতে বোঝায় মহাবিশ্বের সমস্ত কিছুর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ।
power: সাধারণ ক্ষমতা (যেমন: রাজনৈতিক ক্ষমতা বা শারীরিক শক্তি)।
omnipotence: অসীম বা ঐশ্বরিক ক্ষমতা, যার কোনো সীমা নেই।
ব্যবহারিক প্রয়োগ ও সতর্কতা
ইংরেজি ভাষা শিক্ষার্থীদের জন্য মনে রাখা জরুরি যে, এই শব্দটি দৈনন্দিন সাধারণ কথাবার্তায় খুব একটা ব্যবহৃত হয় না। এটি মূলত উচ্চতর সাহিত্য, ধর্মীয় গ্রন্থ বা দার্শনিক বিতর্কে দেখা যায়। যদি আপনি সাধারণ কোনো ব্যক্তির অনেক ক্ষমতা বোঝাতে চান, তবে omnipotence ব্যবহার করা ভুল হবে; সেক্ষেত্রে influential বা powerful ব্যবহার করা অধিকতর সঠিক।
❌ ভুল ব্যবহার: The CEO has omnipotence over the company. (এখানে সিইও-র ক্ষমতা অসীম নয়, বরং কোম্পানির মধ্যে সীমাবদ্ধ।)
✅ সঠিক ব্যবহার: The concept of divine omnipotence is central to many religions. (এখানে ঐশ্বরিক সর্বশক্তিমানতার ধারণাটি ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে যথাযথ।)
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি বিশেষ্য (noun) এবং এর বিশেষণ রূপ হলো omnipotent (সর্বশক্তিমান)।
Meanings
অসীম ক্ষমতা থাকা বা সেই অবস্থার গুণ।
The philosopher questioned whether divine omnipotence is logically possible.
দার্শনিকটি প্রশ্ন করেছিলেন যে ঐশ্বরিক সর্বশক্তিমানতা যৌক্তিকভাবে সম্ভব কি না।