reasonableness
reasonableness শব্দটি মূলত এমন একটি মানসিকতা বা গুণকে বোঝায় যেখানে আবেগ বা চরমপন্থা পরিহার করে সাধারণ জ্ঞান, ন্যায্যতা এবং পরিমিতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এটি কেবল যুক্তি দিয়ে কোনো কিছু প্রমাণ করা নয়, বরং এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি যা বাস্তবসম্মত এবং গ্রহণযোগ্য।
ব্যবহারিক প্রেক্ষাপট এবং সূক্ষ্ম পার্থক্য
এই শব্দটি যখন সাধারণ কথোপকথনে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি কারো আচরণ বা অনুরোধের 'যৌক্তিকতা' বা 'ন্যায়সঙ্গত হওয়া' বোঝায়। উদাহরণস্বরূপ, যখন আমরা বলি কারো অনুরোধে reasonableness আছে, তার অর্থ হলো অনুরোধটি খুব বেশি দাবিদার নয় এবং তা বাস্তবসম্মত।
অন্যদিকে, আইনি বা পেশাদার ক্ষেত্রে reasonableness একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যাকে 'যৌক্তিক মানদণ্ড' বলা হয়। এখানে এটি বিচার করে যে, একজন সচেতন এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি একই পরিস্থিতিতে যেভাবে কাজ করতেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিটি সেভাবে কাজ করেছেন কি না।
সঠিক ব্যবহার: The reasonableness of the request (অনুরোধটির যৌক্তিকতা)
সঠিক ব্যবহার: A standard of reasonableness (একটি যৌক্তিক মানদণ্ড)
সമാന শব্দের সাথে তুলনাreasonableness এবং rationality শব্দ দুটি প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তবে এদের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। rationality মূলত বিশুদ্ধ যুক্তি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত (অর্থাৎ কোনো কিছু যৌক্তিক কি না)। কিন্তু reasonableness এর সাথে নৈতিকতা, ন্যায্যতা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা যুক্ত থাকে।
rationality: এটি কেবল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া বোঝায়।
reasonableness: এটি তথ্যের পাশাপাশি পরিস্থিতি এবং অন্যের প্রতি সহমর্মিতার কথা বিবেচনা করে একটি ন্যায্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বোঝায়।
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি বিশেষ্য (noun), যা সাধারণত কোনো ব্যক্তির গুণ বা কোনো পরিস্থিতির বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
Meanings
আবেগ বা চরম দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে সাধারণ জ্ঞান, ন্যায্যতা এবং পরিমিতির ওপর ভিত্তি করে থাকার গুণ।