superego
superego শব্দটি মূলত সিগমুন্ড ফ্রয়েডের মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব থেকে এসেছে। এটি মানুষের মনের সেই অংশ যা নৈতিকতা, আদর্শ এবং সামাজিক মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্ব করে। সহজ কথায়, এটি আমাদের ভেতরের 'বিবেক' হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের বলে দেয় কোনটি সঠিক এবং কোনটি ভুল।
আচরণগত প্রভাব এবং দ্বন্দ্ব
মনস্তত্ত্বের ভাষায়, superego সবসময় id (যা আদিম প্রবৃত্তি এবং তাৎক্ষণিক তৃপ্তির আকাঙ্ক্ষা করে) এবং ego (যা বাস্তবতার সাথে সমন্বয় করে) এর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে। যখন কোনো ব্যক্তি সমাজের নিয়ম বা নিজের নৈতিক আদর্শের বিরুদ্ধে কিছু করেন, তখন superego অপরাধবোধ বা অনুশোচনা তৈরি করে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ কোনো লোভনীয় জিনিস চুরি করতে চায়, তবে তার id বলবে "এটি নিয়ে নাও", কিন্তু superego সতর্ক করবে যে "চুরি করা পাপ বা অন্যায়"।
ব্যবহারিক সতর্কতা
মনে রাখা প্রয়োজন যে, এটি একটি বিশেষায়িত মনস্তাত্ত্বিক পরিভাষা। সাধারণ কথোপকথনে 'বিবেক' বা 'নৈতিক চেতনা' বোঝাতে আমরা 'conscience' শব্দটি ব্যবহার করি, কিন্তু যখন মনস্তাত্ত্বিক কাঠামোর আলোচনা হয়, তখন superego শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো শারীরিক অঙ্গ নয়, বরং মানসিক প্রক্রিয়ার একটি অংশ।
Meanings
মনস্তত্ত্বের সেই অংশ যা নৈতিক বিবেক হিসেবে কাজ করে এবং ইড-এর তাড়নাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সমাজ ও পিতামাতার অভ্যন্তরীণ মূল্যবোধ এবং মানদণ্ডগুলোকে গ্রহণ করে।
"His superego prevented him from acting on his impulsive desires."
যখন কোনো ব্যক্তি তার নৈতিক নিয়মের বিরুদ্ধে কাজ করে, তখন সুপারইগো প্রায়শই অপরাধবোধ তৈরি করে।