impertinence
impertinence শব্দটি মূলত দুটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়, যার একটি হলো আচরণগত অভদ্রতা এবং অন্যটি হলো বিষয়ের সাথে সংগতিহীনতা। বাংলা ভাষায় এর প্রথম অর্থটি 'ধৃষ্টতা' হিসেবে প্রকাশ করা হয়, যা বিশেষ করে সামাজিক মর্যাদা বা পদমর্যাদার পার্থক্য থাকা ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যখন কেউ তার চেয়ে উচ্চপদস্থ বা বয়সে বড় কারো সাথে অসম্মানজনক বা উদ্ধত আচরণ করে, তখন তাকে impertinence বলা হয়। এটি কেবল সাধারণ অভদ্রতা নয়, বরং এতে এক ধরণের দুঃসাহস বা ঔদ্ধত্য মিশে থাকে।
আচরণগত এবং প্রাসঙ্গিক পার্থক্য
এই শব্দের একটি বিশেষ দিক হলো এর দ্বিমুখী অর্থ। একদিকে এটি যখন মানুষের ব্যক্তিত্ব বা কথা বলার ধরনকে বোঝায়, তখন এর অর্থ হয় 'ধৃষ্টতা'। অন্যদিকে, যখন কোনো আলোচনা বা আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো কথা বা প্রমাণ বর্তমান প্রসঙ্গের সাথে মেলে না, তখন তাকে impertinence বা 'অপ্রাসঙ্গিকতা' বলা হয়। ইংরেজি ভাষায় irrelevance শব্দটির সাথে এর এই অর্থটি খুব কাছাকাছি, তবে impertinence শব্দটি অনেক সময় আরও আনুষ্ঠানিক বা আইনি প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়।
ধৃষ্টতার উদাহরণ: His impertinence towards the teacher was shocking. (শিক্ষকের প্রতি তার ধৃষ্টতা ছিল চমকপ্রদ।)
অপ্রাসঙ্গিকতার উদাহরণ: The lawyer's argument was dismissed as impertinence. (আইনজীবকের যুক্তিটি অপ্রাসঙ্গিক বলে খারিজ করা হয়েছিল।)
সদৃশ শব্দের সাথে তুলনাimpertinence শব্দটিকে rudeness এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে। তবে rudeness হলো সাধারণ অভদ্রতা যা যে কেউ যে কারো সাথে করতে পারে। কিন্তু impertinence শব্দটিতে একটি নির্দিষ্ট দিক থাকে—এটি সাধারণত এমন কারো প্রতি দেখানো হয় যার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত ছিল। একইভাবে, insolence শব্দটি impertinence এর চেয়ে আরও তীব্র এবং আক্রমণাত্মক ধৃষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি গণনാനാযোগ্য বিশেষ্য (uncountable noun), তাই সাধারণত এর বহুবচন রূপ ব্যবহৃত হয় না।
Meanings
শ্রদ্ধার অভাব বা অভদ্রতা, বিশেষ করে যখন কোনো উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সাথে কথা বলা হয়।